প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাগুরার জীবননগরে চিনা বাদামের বাম্পার ফলন, দাম নিয়ে সঙ্কায় কৃষক

জামাল হোসেন, মাগুরা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ পরামণু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল বিনা-৪ চিনা বাদামের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। প্রতি বিঘা জমিতে এ জাতের বাদাম ৭-৮ মণ হারে উৎপাদন হচ্ছে বলে মাগুরা বিনা উপ-কেন্দ্র জানিয়েছে। সাধারণ জাতের বাদাম চাষ করে চাষিরা প্রতি বছর ক্ষতিগ্রস্থ হলেও উচ্চ ফলনশীল বিনা বাদাম চাষ করে চাষিরা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন। ভালো ফলন হলেও বাদামের দাম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে কৃষকরা। কাঁচা বাদামের মূল্য কেজি প্রতি ২০ টাকা বিক্রি হয়।

মাগুরা বিনা উপকেন্দ্র সুত্র জানিয়েছে, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মাধবখালী গ্রামের কৃষক রাজেদুল ইসলামের দু’বিঘা জমিতে পরিক্ষামূলক একটি প্রদর্শনী প্লটে বিনা-৪ চিনা বাদামের আবাদ করা হয়। প্রচলিত বাদাম বিঘা প্রতি ৫-৬ মণ উৎপাদিত হয়। কিন্তু উচ্চ ফলনশীল বিনা চিনা বাদাম প্রতি বিঘায় ৭-৮ মণ হারে উৎপাদিত হয়েছে।

মাগুরা বিনা উপকেন্দ্রের সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবু সাইদ বলেন, মাধবখালী মাঠে বিনা চিনা বাদামের প্রদর্শনী প্লটে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাদাম উত্তোলন করা হয়। প্রতি বিঘায় ৮ মণ করে উৎপাদন হয়েছে। এ জাতের বাদাম জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে উচ্চ ফলন দিতে সক্ষম। সে ভাবেই এ জাতের উদ্ভাবন করা হয়েছে।

জীবননগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আরিফ হোসেন বলেন, প্রচলিত বাদাম চাষের তুলনায় বিনা-৪ চিনা বাদাম ক্ষেত পরিদর্শন করেছি। বিনা-৪ চিনাবাদাম সব প্রতিকুল পরিবেশ জয় করে কৃষক বাম্পার ফলন পেয়েছেন। এটি কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস। বিনা উদ্ভাবিত ধান, গম, তৈলবীজ, ডালসহ বিভিন্ন ফসলের জাত প্রচলিত জাত থেকে দুই-তিন গুণ বেশি ফলন দেয়। বিনার উদ্ভাবিত জাত আবাদ করে কৃষকেরা যেমন লাভবান হন, তেমনি দেশের কৃষি উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। এ কারনেই বিনা উদ্ভাবিত জাতের সম্প্রসারণ ও আবাদের কলাকৌশল নিয়ে কৃষকদের সাথে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। সম্পাদনা : জহুরুল হক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত