প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের রায়কে যুগান্তকারী বলছে পরিবেশকর্মীরা

নিউজ ডেস্ক : উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসারে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত ভাঙতে হবে, ২০টির বেশি বড় হোটেলসহ হাজারো স্থাপনা। আদালতের এমন রায়কে যুগান্তকারী বলছেন, পরিবেশকর্মীরা। রায় মেনে নিলেও সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ চান হোটেল মালিকরা। জেলা প্রশাসক বলছেন, রায়ের কপি পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। চ্যানেল ২৪

১৯৯৯ সালে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। তবে তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গেল দুই দশকে ঝিলংজা মৌজায় গড়ে ওঠে বহু স্থাপনা।

সম্প্রতি ৫টি রিটের চূড়ান্ত রায়ে ৯৯ সালের পর নেয়া সব ইজারা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। রায়ে গুঁড়িয়ে দিতে বলা হয়েছে এসব স্থাপনা। সর্বোচ্চ আদালতের এমন রায়কে যুগান্তকারী বলছে পরিবেশকর্মীরা। তাদের আশা, দ্রুত কার্যকর হবে নির্দেশনা।

সেভ দ্য নেচারের চেয়ারম্যান আ ন ম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, এ রায়কে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি কক্সবাজারের স্থানীয় প্রশাসন এবং যারা এই রায়ের বিপরীতে ক্ষতিগ্রস্থ তাদেরকেও এগিয়ে আসতে হবে।

এদিকে ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, দীর্ঘদিন পর হলেও উচ্চ আদালত এই নির্দেশনা দেয়ায় কক্সবাজার বাসীর পক্ষ থেকে আমি আদালতকে স্বাগত জানাই। পাশাপাশি এই রায় কার্যকর করার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন আন্তরিক হলে এই রায় কার্যকর হবে।

এ রায়ের ফলে যেসব স্থাপনা ভাঙতে হবে তার অন্তত ২০টি তারকা মানের হোটেল। মালিকরা বলছেন, আদালতের রায় অমান্য করার সুযোগ নেই। তবে এজন্য সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ আর পুনর্বাসনের দাবি তাদের।

স্যান্ডি বীচ রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রহমান বলছেন, সশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে, কর্মচারীদের পক্ষ থেকে, মালিকদের পক্ষ থেকে যেন আমাদের যথাযথ ব্যবস্থা করার পরে আমাদের উচ্ছেদ করা হয়।

তবে কবে নাগাদ এই উচ্ছেদ শুরু হবে তা চূড়ান্ত হয়নি। জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলছেন, এজন্য রায়ের কপি হাতে পেলে নেয়া হবে পরবর্তী পদক্ষেপ।

সমুদ্র সৈকতের ঝিলংজা মৌজায় ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে ৬টি পয়েন্টে হোটেল-মোটেল, দোকান-রেস্তোরাঁসহ স্থাপনার সংখ্যা সহস্রাধিক।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত